The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র

0

The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র

National University and Other University
Department of English
Honours 2nd Year
Introduction to Drama
বিস্তারিত নিচের পিডিএফ ফাইলে পাবেন।

The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র উল শুয়াইঙ্কা : দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল
(toc)


Akinwande Oluwole Batatunde Soyinka [1934 - Present ]
Born: 13 July 1934.
Birth Place: Abeokuta, Nigeria, Protectorate. Occupation : Author, poet, playwright
Nationality: Nigerian
Genre: Drama, Novel, poetry
Subject: Comparative Literature
Presnet Address: Ogun State, Nigeria
Age: 80

জীবন ও সাহিত্যকর্ম

বৃটিশ শাসনামলের সময় Akinwande Oluwole Batatunde Soyinka ১৯৩৪ সালের ১৩ই জুলাই Western Nigeria এর Abeokuta শহরের পাশে অবস্থিত Ijebu Isara নামক একটি ছোট্ট শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল Samuel Ayodele Soyinka এবং মায়ের নাম ছিল Grace Eniola Soyinka। ছয় ভাই বোনের মধ্যে শুয়াইঙ্কা ছিলেন দ্বিতীয়। যাহোক, তাঁর পিতা ছিলেন Abeokuta শহরের St. Peters School এর প্রধান শিক্ষক। তাঁর মাতা ছিলেন স্থানীয় রাজনৈতিক দলের এক্টিভ কর্মী। তিনি পার্শবর্তী বাজারে একটি দোকানের মালকিন ছিলেন।

ওয়াইঙ্কার মা বাবা ছিলেন খ্রীষ্টধর্মের অনুসারী। তবে পরিবারের অন্যান্যরা Yoruba ধর্মমতেও বিশ্বাস করতেন। তাদের এলাকায়ও বহু লোকে Yoruba ধর্মমতেও বিশ্বাস করত। শুয়াইঙ্কা যখন ছোট তখন থেকেই তিনিও খ্রীষ্টান ধর্মে বিশ্বাস করতেন এবং একই সাথে Yoruba ধর্মমতেও বিশ্বাস করতেন।

১৯৩৯ সালে শুয়াইঙ্কা যখন পাঁচ বছরের শিশু ছিলেন তখনই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। ততকালীন সময় তাদের বাড়িতেও বিদ্যুৎ এর ব্যবস্থা ছিল। শুয়াইঙ্কা তখন অতি আকর্ষিত হয়ে রেডিও বাজাতেন। তিনি রেডিওতে বিশ্বযুদ্ধের খবরা-খবর শুনতে পছন্দ করতেন। তিনি খুবই আগ্রহী মন নিয়ে ইউরোপীয় উপনিবেশগুলো, খবর শুনতেন। তখন ওদিকের প্রায় সব এলাকাই Adolf Hitler শাসন করতেন। কিছু দিনের মধ্যে তিনি বুঝতে পারেন যে, Adolf Hitler একজন অত্যাচারী সৈরশাসক। তখন তিনি মনে মনে ভাবতেন যে, হয়তো Adolf Hitler হলো শয়তানের প্রতিরূপ। শয়তান যেন Adolf Hitler রূপরে পুনঃজন্ম লাভ করেছে।

১৯৪০ সালের দিকে শুয়াইঙ্কা St. Peters Primary School এ যোগ দেন। এরপর Abeokuta Grammar School এর ভর্তি হন। এরপর ১৯৪৬ তিনি Ibadan শহরের Government college এর পড়াশোনা করেন। কলেজের লেখাপড়া শেষ করে তিনি Nigeria এর Lagos শহরে ক্লাক হিসাবে চাকরীতে যোগ দেন। এসময় থেকেই তাঁর লেখা-লেখির জীবন শুরু হয়। তখন তিনি রেডিও-নাটিকা এবং ছোট গল্প লিখতেন। তাঁর লেখা বেশ কটি নাটিকা ও গল্প নাইজেরিয়ায় রেডিও সেন্টার থেকে সম্প্রচারিত হয়েছিল।

রপর শুয়াইঙ্কা আবার Ibadan শহরের University College এর উচ্চতর ডিগ্রি নিতে ভর্তি জুন। এই কোর্সে পড়ালেখা করার সময় তিনি ইংরেজি সাহিত্য পাঠ করার সুযোগ পান। এসময় তিনি গ্রিক এবং ওয়াস্টার্ন ইতিহাসও পাঠ করতেন। ১৯৫৩-১৯৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি “The Eagle” নামক একটি পত্রিকার সম্পাদনা করেছিলেন। এসময় তাঁর লেখা একটি রেডিও নাটক কাশিত হয়। এই নাটকটি ১৯৫৪ সালের জুলাই মাসে Nigerian Broadcasting Service National Programme যাকে সংক্ষেপে “Keffi” বলা হয়ে থাকে সেই সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান থেকে সম্প্রচারিত হয়েছিল।

শুয়াইঙ্কা ১৯৫৪ সালে ইংল্যান্ডে চলে আসেন। এখানে এসে তিনি পরিচিত হন বিভিন্ন ইংলিশ কবি সাহিত্যিকের সাথে। এম. এ. ডিগ্রি অর্জনের পূর্বে তিনি সাহিত্যর উপর বেশ পড়ালেখা করেন। এরপর তিনি ডক্টরেট করার জন্য মনোস্থির করেন। ডক্টরেট করার সময় তাঁর সহযোগীর দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে ইউরোপীয় ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে আগ্রহী হন বিশেষ করে Yoruba Tradition সম্পর্কে পড়াশোনা করেন। এরপর তিনি ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন ছেড়ে লন্ডন শহরে চলে আসেন। এখানে তিনি নাটকের প্রমোটার হিসাবে কাজ শুরু করেন। তখন থেকেই তিনি নাটক লেখায় বেশি মনোনিবেশ করতে শুরু করেন। এসময় তাঁর লেখা প্রথম বিখ্যাত নাটক “The Swamp Dwellers” প্রকাশিত হয়। এক বছর পরে তাঁর লেখা “The Lion and The Jewel নাটকটি প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯৬০ সালে তিনি Rockefeller Research Fellowship পুরস্কারে ভূষিত হন এবং নাইজেরিয়ায় ফিরে আসেন।

নাইজেরিয়ায় ফিরে আসার পর মার্চ মাসে শুয়াইঙ্কার “The Trials of Brother Jero” নামক বিদ্রুপাত্মক নাকটটি প্রকাশিত হয়। ১৯৬৩ সালে তাঁর প্রথম সিনেমা “The Culture in Traditons” মুক্তি পায়। ১৯৬৪ সালে তাঁর লেখা বিখ্যাত উপন্যাস " The iNterpreters" প্রকাশিত হয়। এসময় তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পরেন এবং সরকারের বিপক্ষে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তাকে এরেস্ট করা হয়। এরপর কয়েক মাস জেল খাটার পরে তিনি ছাড়া পান। এই বছরের শেষের দিকে তিনি Lagos শহরের Lagos University এর Enlgish Language বিভাগের Headmanster and Senior Lecturer হন। ১৯৬৭ সালে The Biafran War শুরু হলে তিনি Ibo Land কে নাইজেরিয়া থেকে আলাদাকরণের পক্ষে লেখালেখি শুরু করেন। এতে Enugu শহরের Community Ibo এর লিডার Chukuemka Odumwegu Ojukwu তাকে এই Ibo Land কে নাইজেরিয়া থেকে আলাদাকরণের পক্ষে না কাজ করার জন্য পদক্ষেপ নেন। এরপর, প্রেসিডেন্ট Gowon এর নির্দেশে শুয়াইঙ্কাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ১৯৬৯ সালের অক্টোবর মাসের যখন তাঁর সাজা শেষের দিকে তখন তিনি জেলখানার দেয়াল থেকে বেরিয়ে আসেন। মুক্তি পাওয়ার কয়েক মাস পরে তিনি ফ্রান্সে চলে যান। এসময় তিনি বেশ কিছু নাটক, উপন্যাস, কবিতা, কাব্য লিখেছিলেন।

১৯৭৩-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত শুয়াইঙ্কা ক্যাম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটির চার্চিল কলেজে বিজ্ঞান বিষয়ক কাজে নিয়োজিত রাখেন। ১৯৭৫ সালে তিনি নাইজেরিয়ায় ফিরে আসেন। এসময় তাঁর একটি প্রবন্ধসম প্রকাশিত হয়। ১৯৮১ সালের দিকে তিনি তাঁর প্রথম আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস “Ake: The Years of Childhood” রচনা করেন।

১৯৮৬ সাল থেকে শুয়াইঙ্কার জীবনে শুরু হয় অতিগৌরবের সময়। এই বছর The Royal Swedish Academy থেকে তাকে সাহিত্যে Novel Prize পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তিনি হলেন প্রথম আফ্রিকান সাহিত্যে নোভেল জয়ী লেখক। এরপর এই একই বছরে তিনি সাহিত্যে Agip Prize পুরস্কার পান। তিনি এসময় কৃষ্ণাঙ্ক জাতির মুক্তির পক্ষে সংগ্রামী মহানায়ক Nelson Mandela এর দ্বারা প্রভাবান্বিত হন। এসময় তিনি Nelson Mandela কে নিয়ে বেশ কিছু লেখনি সৃষ্টি করেন। এর মধ্যে Nelson Mandela কে নিয়ে তাঁর লেখা একটি কাবিতাসমা “Mandela's Earth” প্রকাশিত হয়। এরপর, ১৯৯০ সালে তাঁর আত্মজীবনীমূলক দ্বিতীয় রচনা “Isara: A Voyague Around Essay” প্রকাশিত হয়।

১৯৯৩ সালে Harvard University শুয়াইঙ্কাকে Honoris Causa Doctorate ডিগ্রি প্রদান করে। এই বছরই তাঁর লেখা তৃতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ “Ibadan: The Penkelemes Years (A Memoir: 1946-1965)” প্রকাশিত হয়। এরপর, ১৯৯৪ সালের অক্টোবর মাসের ২১ তারিখে UNESCO Goodwill Ambassador for Promotion of African Literature and Communication পদের যোগদান করেন এবং নভেম্বর মাসে তিনি Benin সীমান্ত এলাকা দিয়ে United State -এ পালিয়ে প্রবেশ করার কারণে নাইজেরিয় সরকার General Sanni Abacha তার বিরুদ্ধে ১৯৯৭ রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। ১৯৯৯ সালে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

২০০১ সালে শুয়াইঙ্কার সবচেয়ে নতুন নাটক “King Baabu” প্রকাশিত হয়। এটি আফ্রিকার একনায়কতন্ত্রের উপর লেখা একটি বিদ্রুপাত্মক নাটক। এরপর ২০০২ সালে তাঁর বেশ কিছু কবিতা সংকলন আকারে প্রকাশিত হয়। এর নাম ছিল "Samarkand and Other Markets I Have Known”। এরপর, তাঁর সর্বশেষ লেখা “You Must Set Forth at Dawn” ২০০৬ সালে Random House প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় ।

বর্তমানে শুয়াইঙ্কা কন্সালটেন্ট হিসাবে Lagos Black Heritage Festival প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। Lagos State মনে করেন যে, তিনি হলেন একমাত্র ব্যক্তি যিনি সাধারণ মানুষের aims and objectives of the Festival -কে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। বর্তমানে ২০১৪ সালে তাঁর সর্বশেষ লেখা “Crucible of the Ages: Essays in Honour of Wole Soyinka at 80" প্রকাশিত হয় ।

সর্বশেষে এসে শুয়াইঙ্কার ব্যক্তিজীবনের কথা বলতে গেলে বলতে হয় তিনি বেশ বেপরোয়া জীবনই পার করেছেন। তিনি জীবনে তিনবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং দুই জন স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে তৃতীয়জনকে নিয়ে বসবাস করছেন। ১৯৫০ সালে ওয়াইঙ্কা University of Leeds থাকাকালে Late British writer, Varbara Dixon এর সাথে পরিচিত হন এবং ১৯৫০ সাথে তাকে বিয়ে করেন। তিনি শুয়াইঙ্কার প্রথম পুত্রসন্তান Olaoku এর মা হয়েছিলেন। এরপর তাকে ডিভোর্স দিয়ে ১৯৬৩ সাল নাইজেরিয় স্বাধীনতাবাদী নারী Olaide Idowu -কে বিয়ে করেন। তিনি তাঁর তিন জন কন্যাসন্তান এবং একজন পুত্রসন্তান জন্ম দিয়েছিলেন। কন্যাসন্তানদের নাম হলো- Meremi, Iyetade, Peyibomi এবং পুত্র সন্তানটির নাম হলো Ilemakin । এরপর তাকে ডিভোর্স দিয়ে শুয়াইঙ্কা ১৯৮৯ সালে Folake Doherty -কে বিয়ে করেন। তাকে নিয়েই তিনি আজো সংসার চালাচ্ছেন। তবে শুয়াইঙ্কার বর্তমান অবস্থাটা খুব একটা ভালো নয়। ২০১৪ সালে তাঁর মূত্রথলীতে ক্যান্সার ধরা পরে। বর্তমানে ৮০ বছর বয়সে এসেই এই অক্লান্ত পরিশ্রমী সাহিত্যের জন্য কাজ করে চলেছেন।

ওয়াইঙ্কার জীবনের অর্জন ও সাহিত্যকর্মগুলো নিন্মে তুলে ধরা হলো:

গুরুত্বপূর্ণ অর্জনসমূহ

1. 1973: Honorary PhD, University of Leeds
2. 1973-74: Overseas Fellow, Churchill College, Cambridge
3. 1983: Elected an Honorary Fellow of the Royal Society of Literature
4. 1983: Anisfield-Wolf Book Award, United States.
5. 1986: Nobel Prize for Literature
6. 1986 : Agip Prize for Literature
7. 1986: Commander of the Federal Republic, CFR.
8. 1990: Benson Medal from Royal Society of Literature
9. 1993: Honorary doctorate, Harvard University
10. 2002 : Honorary fellowship, SOAS
11. 2005 Honorary doctorate degree, Princeton University.
12. 2005: Conferred with the chieftaincy title of the Akinlatun of Egbaland by the Oba Alake of the Egba clan of Yorubaland. He was made a tribal aristocrat with the right to use the Yoruba title Oloye.

13. 2009: Academy of Achievement Golden Plate Award
14. 2013: Anisfield-Wolf Book Award, Lifetime Achievement, United States.
15. 2014: International Humanist Award.


বিখ্যাত রচনাবলী

Plays:

1. "Keffi's Birthday Treat" (1954)
2. The Invention (1957)
3. The Swamp Dwellers (1958)
4. A Quality of Violence (1959)
5. The Lion and the Jewel (1959)
6. The Trials of Brother Jero
7. A Dance of the Forests (1960)
8. My Father's Burden (1960)
9. The Strong Breed (1964)
10. Before the Blackout (1964)
11. Kongi's Harvest (1964)
12. The Road (1965)
13. Madmen and Specialists (1970)
14. The Bacchae of Euripides (1973)
15. Camwood on the Leaves (1973)
16. Jero's Metamorphosis (1973)
17. Death and the King's Horseman (1975)
18. Opera Wonyosi (1977)
19. Requiem for a Futurologist (1983)
20. Sixty-Six (short piece) (1984)
21. A Play of Giants (1984)
22. From Zia with Love (1992)
23. The Detainee (radio play)
24. A Scourge of Hyacinths (radio play)
25. The Beatification of Area Boy (1996)
26. Document of Identity (radio play, 1999)
27. King Baabu (2001)
28. Etiki Revu Wetin
29. "Alapata Apata" (2011)

Novels:

1. The Interpreters (1964)
2. Season of Anomy (1972)

Short stories

1. A Tale of Two (1958)
2. Egbe's Sworn Enemy (1960)
3. Madame Etienne's Establishment (1960)

Memoirs

1. The Man Died: Prison Notes (1971)
2. Aké: The Years of Childhood (1981)
3. Ibadan: The Penkelemes Years: a memoir
4. Isara: A Voyage around Essay (1990)
5. You Must Set Forth at Dawn (2006)

Poetry collections

1. Idanre and other poems (1967)
2. A Big Airplane Crashed Into The Earth (original title Poems from Prison) (1969)
3. A Shuttle in the Crypt (1971)
4. Ogun Abibiman (1976)
5. Mandela's Earth and other poems (1988)
6. Early Poems (1997)
7. Samarkand and Other Markets I Have Known (2002)

Essays

1. Towards a True Theater (1962)
2. Culture in Transition (1963)
3. Neo-Tarzanism: The Poetics of Pseudo-Transition
4. Art, Dialogue, and Outrage: Essays on Literature and Culture (1988)
5. From Drama and the African World View (1976)
6. Myth, Literature, and the African World (1976)
7. The Blackman and the Veil (1990)
8. The Credo of Being and Nothingness (1991)
9. The Burden of Memory - The Muse of Forgiveness (1999)
10. A Climate of Fear (originally held as the BBC Reith Lectures 2004, audio and transcripts)
11. New Imperialism (2009)
12. Of Africa (2012)

Movies

1. Kongi's Harvest
2. Culture in Transition
3. Blues for a Prodigal.

Translations

1. The Forest of a Thousand Demons: A Hunter's Saga (1968; a translation of D. O. Fagunwa's Ogbójú Ode nínú Igbó Irúnmale)
2. In the Forest of Olodumare (2010; a translation of D. O. Fagunwa's Igbo Olodumare)
1946-65 (1989)


নাটকের শিরোনাম: দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল
মূল নাট্যকার: উল শুয়াইঙ্কা

(অনুবাদক: সৈয়দ আহমেদ রুবেল)

নাটকের বিশেষ বিশ্লেষণ/Explanation of The Drama

"The Lion and the Jewel" নাটকটি ১৯৫৯ সালে রচনা করা হয়। প্রথম প্রকাশিত করা হয় ১৯৬৩ সালে। এটি শুয়াইঙ্কার একটি সুন্দর নাটক। এই নাটকটিতে তিনি জর্জ বার্নার্ড শ এর রচিত নাটকের মতো বাস্তবতার দিক উন্মচন করেছেন। শুয়াইঙ্কা এক সময় অ্যামেরিকান নাট্যকার Eugene O'Neill এর যুবতী কন্যা Oona O'Neill এর সাথে ৬০ বছর বয়সী Charlie Chaplin এর বিয়ে সম্পর্কে একটি আর্টিক্যাল পড়েছিলেন। এটি পড়ার পরই তিনি এই নাটকটি লেখায় অনুপ্রাণিত হন।

এখানে নাটকটির নামকরণে Lion হিসাবে ইলুজিল (Ilujinle) নামক গ্রামের মোড়ল (Bale ) বোরোকা (Boroka) নামক ব্যক্তিকে ব্যবহার করা হয়েছে। আর Jewel হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে গ্রামের সরলা যুবতী নারী সিদি (Sidi) কে। বারোকাকে সিংহ বলা হয়েছে গ্রামে তার আধিপত্ত তুলে ধরার জন্য আর অপর পক্ষে সিদিকে অলংকার বলা হয়েছে কারণ সে খুবই যুবতী। তার দেহ যৌবনের অলংকারে সজ্জিত।

নাকটটিতে দেখা যায় বারোকা হচ্ছে ৬২ বয়সের বৃদ্ধ। সে খুবই গর্বিত, অহঙ্কারি, প্রতারক এবং ধূর্ত লোক । প্রথাগত গ্রাম্য পুরনো ঐতিহ্য অনুসারে গ্রামের মোড়ল যদি সমঅধিকার দিতে পারে তো যত ইচ্ছা ততজন স্ত্রী এবং উপ-পত্নী গ্রহণ করতে পারে। তাই দেখা যায় বারোকাও অর্থ, সম্পদ আর ক্ষমতা বলে বহুজন স্ত্রী ও উপ-পত্নী গ্রহণ করে এবং যখন সে ম্যাগাজিনে সিদির ছবি দেখে তখন তাকেও স্ত্রী হিসাবে পাবার জন্য উতলা হয়ে উঠে। তাছাড়া, প্রথম স্ত্রীদের নিয়েও আরো একটি প্রথা আছে যেটারও সমালোচনা এখানে করা হয়েছে। যেমন- নারীদের কাজ হলো নিজ স্বামীকে সর্বদাই সুখী ও খুশি রাখা। আর তা করতে গিয়ে যদি সতীনের জোগাড় করতে হয় তাও তাদের করা উচিত। এই নাটকে দেখা যায় বারোকার জন্য সিদিকে স্ত্রী হিসাবে প্রস্তত করতে সাদিকু যথাসাধ্য চেষ্টায় লিপ্ত থাকে এবং বারোকা ষড়যন্ত্র করে সিদিকে ফাঁদে ফেলে বারোকার স্ত্রী হিসাবে প্রস্তুত করতে সক্ষম হয়।

আরো একটা দিক এখানে দেখা যায় যে, মোড়ল হিসাবে গ্রামে তার ভ্রান্ত আধিপত্য বিরাজ করে। এই আধিপত্যের আড়ালে নাট্যকার ঘৃণ্য উপনিবেশবাদকে তীব্র সমালোচনা করেছেন। যেখানে উপনিবেশিকরা কখনোই সমাজে উন্নয়ন চায়নি। কারণ সমাজে উন্নয়ন বা আধুনিকায়ন হলে মানুষ শিক্ষিত হবে আর এতে তারা আর উপনিবেশিক বশ্যতা শিকার করতে চাবে না। বরং বিদ্রোহ শুরু করবে। এই বিষয়টি তখনই সুস্পষ্ট হয়ে উঠে যখন আমরা দেখতে পাই যে, গ্রামের উপন্নয়ন ও আধুনিকায়ন ফিরাতে উপনিবেশিকের প্রতীক মোড়ল বারোকা ঘুষ দিয়ে সরকারী কর্মকর্তাকে রেলপথটি গ্রামের যথা সম্ভব দূর দিয়ে তৈরি করত উৎসাহিত করে।

আবার লাকুনলে নামের ইউরোপীয় ভাবধারার শিক্ষক তাতে প্রতিবাদ করেও কিছু করতে পারেনি। সে নিজে আধুনিক পোষাক পরিধান করে এবং সিদিকে আধুনিক মেয়েদের মতো সাজগোজ করে বলেও তাতে সে তিরস্কৃত হয়। সে পণ পথার বিরোধীতা করে বলে সিদিকে তাকে বিয়ে করতে রাজি করাতে পারেনি। বহুবিবাহের বিপক্ষে গিয়ে সে সিদিকে বারোকার কাছে যেতে নিষেধ করেছে। এভাবে তার মাধ্যমেই নাট্যকার নিজের সব বিদ্রোহী চেতনাকে তুলে ধরার প্রয়াস চালিয়েছেন।
সুতরাং, পরিশেষে দেখা যায় যে, শুয়াইঙ্কা নাটকটিতে নাইজেরিয় প্রথাগত গ্রাম্য জীবন, নির্দিষ্ট শ্রেণীর মানুষের কছে আধুনিক সভ্যতার প্রাথমিক প্রসার, কুসংস্কার, যৌতুক বা পন প্রথা, বহু বিবাহ ইত্যাদি বিষয় উন্মচন করে সমালোচনা করেছেন। তাছাড়া এখানে আত্ম-মগ্নতা, চাতুর্যতা, ধূর্ততা,  তুচ্ছ মোড়লবাদ ইত্যাদির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। সেই সাথে দেখানো হয়েছে ততকালীন সময় নাইজেরিয়ার কোন শ্রেণী পর্যন্ত আধুনিকায়ন প্রসার লাভ করেছিল। তাতে তিনি দেখিয়েছেন কেবল তখন সেখানে প্রাইমারী শিক্ষক শ্রেণী পর্যন্ত এর প্রসার লাভ করেছিল। এটা তুলে ধরতে তিনি গ্রামের প্রাইমারী স্কুলের ইউরোপীয় ভাবধারার শিক্ষক হিসাবে লাকুনলেকে বেছে নিয়েছেন ।

নাটকের কাহিনী সংক্ষেপ (Short Bangla Summary)

"দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল” নাটকটি একটি মাত্র দিনের কাহিনী নিয়ে রচিত একটি নাটক। এই নাটকে ইলুজিল (Ilujinle) নামক গ্রামের কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এটি কোন অঙ্ক বা দৃশ্য হিসাবে ভাগ না করে ‘সকাল’ ‘দুপুর' এবং ‘বিকাল' নামে তিনটি অঙ্ক বা পর্বে বিভক্ত করে রচনা করা হয়েছে। তাছাড়া নাটাকটি ইরুবা পোয়েট্টির ট্রেডিশন মেনে রচিত। নিন্মে এর কাহিনী সংক্ষেপ দেওয়া হলো।

সকাল

ইলুজিল (Ilujinle) নামক গ্রামের একটি বাজার হতে এর কাহিনীর সূত্রপাত করা হয়েছে। বাজারের এক কিণারে রয়েছে ওডান “odan” নামের একটি বৃহদায়তন গাছ। এটাই হচ্ছে গ্রামের কেন্দ্রবিন্দু। মঞ্চে দেখানো হচ্ছে এই কেন্দ্রটি এবং একপাশে দেখা যায় ঝোঁপঝাড়ে আচ্ছাদিত বনের একপাশ। মঞ্জের ডান দিকে এই বনের মধ্যে দেখা যায় একটি স্কুল। স্কুলের কেবল একটি দেয়াল দেখা যায় মঞ্চের ডান পাশে। জানালা খোলা। ভেতরে লাকুনলে শিক্ষক হিসাবে ছাত্র- ছাত্রীদের গণিত পড়াচ্ছে। হঠাৎ সে জানালা দিয়ে উকি দেয় উকি দিয়ে দেখতে পায় গ্রামের সরলা মেয়ে সিদি যাচ্ছে। তার মাথায় জলের পিপা।

জানালা দিয়ে উকি দেবার পরই সে সিদির দিকে বেরিয়ে যায়। সে গিয়ে দেখতে পায় যে, এগার বছরের দুইজন বালক তাকে বিরক্ত করছে। সে তাদের মাথায় আঘাত করে এবং তাদের কবল থেকে সিদিকে মুক্ত করে। এখানে লাকুনালের পূর্ণ পরিচয় মিলে। সে জীর্ণ এবং কুচকে যাওয়া একটি ইংলিস সুইট পরেছে যা তার জন্য খুবই ছোট। সে টাই পরেছে, পরেছে ওয়েইস্টকোট, পাজামা এবং ব্ল্যাংকো হোয়াইট জুতো। সব মিলিয়ে তাকে একটা পাগলের মতো বা হাস্যকর দেখা যায়। যাহোক, সে সিদিকে বলতে শুরু করে যে, সে তাকে নিষেধ করেছিল ভারী বোঝা মাথায় বহন করতে।

সুতরাং, সে এটা করেছে কেন? তার এমন বোঝা বহন করা উচিত নয় কারণ এতে তার ঘাড় বেঁকে যেতে পারে বা খাটো হয়ে যেতে পারে। এরপর সে তাকে বুকের উপর যে মোটা ভারী কাপড় পরেছিল তা পরতে নিষেধ করে। সে তাকে এমন সব পোশাক পরতে বলে যা ইউরোপীয় নারীরা পরে থাকে। এসব কথা শুনে সিদি তাকে স্টুপিড বলে গালি দেয় এবং তাকে গরুর সাথে তুলনা করে বিদ্রুপ করে। লাকুনলেও তাকে বিদ্রুপ করে। তাকে সে বলল যে, তার মস্তিস্ক কখনোই তার মতো বড় নয়, পুচকে মস্তিস্ক তার।

সে বইয়ে নারীদের জ্ঞান সম্পর্কে এমনটিই পড়েছে। এটা শুনে সিদির মাথা গরম হয়ে যায়। রেগেমেগে সে জলদি করে চলে যেতে চায়। কিন্তু লাকুনলে তাকে বলে যে, সে তাকে ভালোবাসে। তাকে বিয়ে করতে চায়। এমন সময় সিদি তার কাছে পণের টাকার প্রসঙ্গ তোলে। সে তাকে বলে যে, যদি সে পণের টাকা দিতে না পারে তো সে তাকে কখনোই বিয়ে করতে পারবে না। কারণ এটাই হচ্ছে রীতি। যদি সে পণের টাকা না নিয়ে বিয়ে করে তো লোকে তাকে অসত্বী নারী বলে আখ্যা দিবে। তা হতেই পারে না।

এমন সময় মঞ্চে গ্রামের কয়েকজন বালিকা প্রবেশ করে। তারা একটি নাটিকা মঞ্চস্থ করতে চায়। তারা তা নাচগানের মাধ্যমে প্রকাশ করতে চায়। তাদের নাটিকার ঘটনা হলো- কয়েকদিন পূর্বে গ্রামের এক ফটোগ্রাফার এসেছিল। তাকে নিয়েই এই বিদ্রুপাত্মক নাটিকা। যাহোক, তাদের কাছে একটা ফটোগ্রাফের বইও দেখা যায়। সেই বইয়ের কভার পৃষ্ঠায় সিদির ছবি। আসলে কয়েকদিন আগে এই ফটোগ্রাফার গ্রাম্য প্রামান্য চিত্রের উপর একটি ম্যাগাজিনের জন্য উপকরণ সংগ্রহ করতে এই গ্রামে আসে এবং সে বেশ কিছু ছবির সাথে সিদির ছবিও তুলেছিল। এই বইটি আসলে সেই ম্যাগাজিন।

যাহোক, এরপর “দি ডেন্স অফ দি লস্ট ট্রাভেলার” নামের সেই নাটিকাটি শুরু হয়। ভ্রমনকারী ফটোগ্রাফার হিসাবে লাকুনলে অভিনয় করে। চারজন বালিকা ডেভিল হর্স ডেন্স পরিবেশ করে এবং ফটোগ্রাফারকে মোটর-বইক এবং তার ক্যামেরাকে একচোখা বাক্স বলে বিদ্রুপ করে। লাকুনলে তাদের মাঝখানে বসে এমন ভাব করে যেন সে গাড়িতে করে যাচ্ছে। হঠাৎ তার গাড়ির স্টাট বন্ধ হয়ে যায়। বারবার চেষ্টা করে তা স্টাট দিতে পারে না। এরপর সে মালপত্র নিয়ে ভ্রমন শুরু করে। যেতে যেতে হঠাৎ শুনতে পায় একটি বালিকা গান গাচ্ছে। এই বালিকার ভূমিকায় অভিনয় করে সিদি। যাহোক, সে তাকে দেখতে পায় না তবে দুষ্টমি করে মদের খালি বোতলটি গানকে লক্ষ করে ছুরে মারে। তা গিয়ে সিদির গায়ে লাগে। তখনই একটি চিৎকার এবং প্রচন্ড বকাবকির শব্দ পাওয়া যায়। এগিয়ে গিয়ে লাকুনলে দেখে যে বালিকাটি নদীর ধারে চিৎকার করছে। সে তার কিছু ছবি তুলতে চায় কিন্তু তা তুলতে গিয়ে নদীর জলে পরে যায়। এরপর, সে পেছন ফিরে আবার গ্রাম্য লোকের ভাব ধরে ফটোগ্রাফারকে লক্ষ করে তীব্র কন্ঠে নির্দেশ করে যেন সে ওডান গাছের নিচে চলে আসে। ফের ফটোগ্রাফার সেজে হতবিহবল ভাব ধরে।

এরই মাঝে মঞ্চে বারোকা প্রবেশ করে এবং নাটিকাটি বন্ধ হয়ে যায়। সে এসে তাদের বলে যে, আসলে নাটিকাটি কীভাবে সঠিকভাবে করা যায় তা তার ভালো করেই জানা আছে। তখন লাকুনলে নিজেই যে দৈত ভূমিকা নিয়েছিল তার অপর জনের অভিনয়টি অন্য একজন গ্রাম্যকে দিয়ে অভিনয় করার জন্য নির্ধারণ করে নাটিকাটি আবার শুরু করতে বলে। লাকুনলে বারোকার উপর রাগান্বিত ভাব দেখায়। বারোকা তার পরিস্থিতিটা বুঝতে পারে এবং লাকুনলের সম্মানে মদ্যপান শুরু করে। এই সুযোগে লাকুনলে সিদির আরো কিছু ছবি তোলার অভিনয় করে। এরপর, সেও যথেষ্ট মদ পান করে এবং নাটিকার শেষের দিকে সে বমি করা শুরু করে দেয়। এরপর, নাটিকাটি শেষ হয়ে যায় । সিদি লাকুনলের অভিনয়ের জন্য প্রশংসা করে। পাশেই দেখা যায় গ্রাম্য কিছু নারীদের একটি দল যাচ্ছে। তাদের অনুসরণ করে লাকুনলে চলে যায়। তখন বারোকা এবং মল্লযোদ্ধা একাই বসে থাকে। এরপর বারোকা তার বইটি বের করে এবং মনে মনে বলে যে, 'হায় পাঁচ মাস হয়েগেছে, আমি সর্বশেষ স্ত্রী গ্রহণ করেছি।'

দুপুর

এই দৃশ্যে দেখা যায় সিদি বাজারের একপাশে রাস্তা ধরে হাঁটছে। লাকুনলে তাকে অনুসরণ করে চলতে থাকে । সিদি জ্বালানিকাঠের বোঝা বহন করে নিচ্ছে। সে লাকুনলেকে সাহায্য করতে বলে। কথোপকথনের সময় ম্যাগাজিনে নিজের ছবির কিছু প্রশংসাও করে। এরই মাঝে বারোকার প্রথম স্ত্রী সাদিকু গায়ে শাল জড়িয়ে মঞ্চে প্রবেশ করে। সে সিদিকে বলে যে, গ্রামের সিংহ অর্থাৎ বারোকা তাকে স্ত্রী হিসাবে পাওয়ার প্রস্তাব করেছে। এটা শুনে লাকুনলে রেগে গিয়ে তাকে মারার জন্য উদ্যত হয়। কিন্তু সিদি তাকে বাঁধা দেয়। লাকুনলে তার রণকৌশলে পরিবর্তন আনে। সে সিদিকে তার প্রেমিকের সংবাদকে প্রত্যাখ্যান করতে বলে। কিন্তু সাদিকু সিদির নীরবতাকে ‘হ্যাঁ' উত্তর হিসাবে গ্রহণ করে। কিন্তু তখনই সিদি তাকে বলে যে, যেহেতু তার খ্যাতি এখন পুরো লগোস শহরে ছড়িয়ে পরেছে এবং সেই সাথে সারা বিশ্বে তা রটে গেছে সুতরাং সে এর থেকে ভালো কিছু আশা করে। বলে যে, বারোকা হচ্ছে বুড়ো, সিংহের প্রতাপের কোয়ার্টারও তার মাঝে এখন নেই বললেই চলে । অপর দিকে সিদি হচ্ছে এক টুকরো রতনের মতো। সাদিকু তাকে এই বলে উৎসাহিত করতে চায় যে, যদি সিদি বারোকাকে বিয়ে করে, বারোকা আর কাউকে বিয়ে করবেন না। সেই হবে তার সর্বশেষ স্ত্রী এবং নয়নের পুত্তলি। আর যদি সে তা হতে পারে তো, ক্ষমতার দিক থেকে সেই হতে পারবে বারোকার সর্বেসর্বা স্ত্রী। এভাবেই একদিন সাদিকু তার সর্বেসর্বা স্ত্রীতে পরিণত হয়েছিল। সিদি তাকে বলে যে, সে আসলে তার মতলবটা বুঝতে পেরেছে। আসলে বারোকা তার খ্যাতিটা অর্জন করতে চায় যা অন্য কোন লোক আগেই অর্জন করে বসে আছে। এই শুনে সাদিকু মনে মনে লাকুনলের উপর রেগে যায় এবং তাকে হত্যা করতে চায়। সে মনে করে যে, লাকুনলেই তার মাথাটা নষ্ট করে দিয়েছে। 

যাহোক, এরপর সিদি অকে ম্যাগাজিনটা দেখায়। ম্যাগাজিনে নিজের ছবি দেখিয়ে বলে দেখতে বলে যে, সে কতটা যুবতী আর ভাবতে বলে বারোকা কতটা বৃদ্ধ। তখন সাদিকু তার কৌশল পরিবর্তণ করে বলে যে, ঠিক আছে সিদিকে তাকে বিয়ে করতে হবে না তবে সে তো বোরোকার বাড়িতে রাতে ডিনারের জন্য নিমন্ত্রন যোগ দিতে পারে। কিন্তু সিদি বলে যে, সে সবই বুঝতে পেরেছে এবং এটা জানে যে, এযাবৎ যে মহিলাই তার বাড়িতে গিয়েছে সে-ই ফাঁদে পরেছে এবং তার স্ত্রীতে পরিণত হয়েছে। তাদের কথার মাঝখানে লাকুনলে কথা বলতে শুরু করে। সে বলে যে, বোরোকা খুবই বজ্জাত ও খারাপ স্বভাবের লোক । যখন এই গ্রামে সারভেয়ার এসেছিল গ্রামের মাঝ দিয়ে রেল রোড তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়ে তখন বারোকা তাকে রাস্তাটি অন্য দিকে দিয়ে চালিয়ে দিতে ঘুষ দিয়েছিল। তার জন্যই এই গ্রামের উন্নয়নটা থেমে গেছে। তাদের কথা বলতে বলতেই মঞ্চের দৃশ্যপট পাল্টে যায়।

তখন দেখা যায় বারোকার শোবার ঘর। আইলাতু এক বিশেষ ধরণের মেশিন দিয়ে বোরোকার বগলের পশম তুলতেছে। এমন সময় বারোকা তাকে বলে যে, সে আবার বিয়ে করতে যাচ্ছে। এটা শুনে আইলাতু রেগে যায়। তড়িগড়ি করে পশম তুলতে গিয়ে বগলে সামান্য আচ লেগে রক্ত বেরুতে থাকে। তখনই সাদিকু প্রবেশ করে। আইলাতু পাশ কাটিয়ে চলে যায়। বারোকা তার রক্তাক্ত বগল নিয়ে বিলাপ করে আইলাতুকে তাড়িয়ে দেয়।

সাদিকু এসে তাকে বলে যে, সিদি তার প্রস্তাব নাকোচ করে দিয়েছে। সে তাকে বুড়ো বলেছে। বারোকা দুঃখ করে তাকে বলে যে, সে ঠিকই বলেছে। গত এক সপ্তাহ আগেই তার যৌবন হারিয়েগেছে। বারোকা তার পুরুষত্বের প্রতি সন্দেহ পোষণের ভান করে। সে সাদিকুকে পায়ের তলাটা মেসেজ করে দিতে বলে। সাদিকু রাজি হয়। সে শুয়ে পরে। শুয়ে শুয়ে তাকে বলে যে, হ্যাঁ, এক সপ্তাহ আগেই তার যৌবনে ভাঁটা পরেছে। কিন্তু সে তাকে এটা কারো কাছে বলতে নিষেধ করে। এরপর সে বলে যে, তার বয়স এখন মাত্র ৬২। ৬৫ বছর বয়সের পর তার দাদা দুই জন সন্তান জন্ম দিয়েছিল। ৬৭ বছর বয়সে তার বাবা জমজ মেয়ের পিতা হয়েছিল। এসব কথা বলতে বলতে বারোকা ঘুমিয়ে পরে।

রাত

সিদিকে দেখা যায় গ্রামের কেন্দ্রের সেই স্কুলের একটি রোমের জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। মঞ্চের একপাশ থেকে সাদিকু প্রবেশ করে। তার হাতে একটি বান্ডেল। সে গাছের নিচে বসে পরে। বসে বসে বিলাপ করে নিজে নিজে বলতে থাকে যে, অবশেষে সে বারোকার অনিষ্ট করতে পেরেছে। ঠিক একইভাবে একদিন সে বারোকার বাবা ওকিকি এর অনিষ্ট করেছিল। তার কথাগুলো শুনে সিদি স্টান হয়ে যায়। সে মনে করে যে, হয়তো সাদিকু পাগলী হয়েগেছে। সে জানালা বন্ধ করে তার কাছে আসে। সাদিকু এক পর্যায়ে জয়ের আনন্দে নাচতে শুরু করে। সে সিদিকে তার সাথে নাচে যোগ দিয়ে আনন্দ করতে বলে। তখনই লাকুনলে প্রবেশ করে ।

সিদি এবং সাদিকু নাচা বন্ধ করে দেয়। তারা কিছুক্ষণ কথাবার্তা চালায়। এসময় সিদি বারোকার বাড়িতে ভ্রমন করার জন্য পরিকল্পনা করে। সে তাদেরকে বলে যে, সে বারোকার বাড়িতে ডিনারে যোগ দিবে এবং তাকে নিয়ে খেলায় মাতবে। লাকুনলে তাকে ফিরানোর জন্য যুক্তি দাঁড় করায়। সে তাকে বলে যে, যদি তার জারিজুড়ি সব ধরা পরে তো তাকে রীতিমত পিটানো হবে। এমন সময় সিদি মঞ্চ ত্যাগ করে। লাকুনলে আর সাদিকু কথা বলতে থাকে। সে এই সমাজের পরিবর্তন নিয়ে কথা বলে । কথা বলে কীভাবে পণ প্রথার বিলোপ ঘটানো যায়, কি করে মোটরগাড়ির রাস্তা তৈরি করে গ্রামের উন্নয়ন করা যায়। একসময় সে সাদিকুকে বারোকার বিয়ের কনে সংগ্রহকারীনী বলে ধিক্কার দেয়। এসময় দৃশ্যপট পাল্টে যায় ।

দেখা যায় বারোকার বেডরোম। বোরোক একজন পাঞ্জা লড়িয়ের সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। হঠাৎ সিদি প্রবেশ করে। সিদিকে দেখে সে হতভাক হয়ে যায়। সেভাবে যে, অবশেষে সাদিকু তাকে এখানে আসতে প্রভাবিত করতে পেরেছে। এসময় সে সিদির সাথে কথা বলতে শুরু করে। সে লাকুনলের একটা কথা তুলে ধরে। সে বলে যে, একসময় বারোকার চাকরদের উসকে তোলে এবং তাদের নিয়ে “পেলেস ওয়ার্কারু ইউনিয়ন” নামের একটি সংঘঠন তৈরি করে। এতে তাঁর প্রচুর ক্ষতি হয়েছিল। এরপর কথা পাল্টে সে আইলাতুর কথা জিজ্ঞাস করেন। সে জিজ্ঞাস করে যে, যদিও সে আইলতুকে যথেষ্ট তিরস্কার করেছে তুবও সে কি আবার ফিরে এসেছে কিনা, সে কি তার সঙ্গ দিবে কিনা। সিদি তাকে হুল ফুটানোর জন্য জিজ্ঞস করে যে, তার সাথে আইলাতুর কি হয়েছিল। এই প্রশ্নে বোরোকা রেগে যায়। এরপর সে কথা পাল্টে তাকে টিচ করে বলে যে, পাঞ্জা লড়াইয়ের প্রতিযোগিতায় তিনি অবশ্যই জিতবেন যদিও সে যথেষ্ট বৃদ্ধ। এরপর, সে তাকে নম্র ভাষায় বিদ্রুপ করতে শুরু করে। সে তাকে প্রশ্ন করে যে, এই বুড়ো বয়সে আবার কোন স্ত্রী গ্রহণ করবে কি না? আরো বলে যে, যদি তিনি তার পিতা হত তবে তাকে কি তার মতো কোন বৃদ্ধ লোকের সাথে বিয়ে দিত কি না?

তাদের মাঝে পাঞ্জা লড়াই চলতে থাকে। অন্যজন প্রায় হেরে গিয়ে হাত ছেড়ে আবার নতুন করে পাঞ্জা শুরু করে। এতে সিদি তাকে নিয়ে আরো একটু বিদ্রুপে মেতে উঠে। সিদি তাকে এটা বলে টিচ করে যে, গত দুই বছর ধরে সে কোন সন্তানই জন্ম দিতে পারছে না। এতে সে এতটাই রেগে গেল যে, রেগে সজোড়ে হাতে চাপ দিয়ে অন্য প্রতিযোগীর বাহু টেবিলের সাথে মিশিয়ে দেয় এবং ম্যাচটা জিতে যায়। এরপর সে সিদির সাথে কথা বলা শুরু করে। সে ম্যাগাজিনটা বের করে সেখানে সিদির ছবি দেখিয়ে তার রূপের প্রশংসা করতে থাকে। সে ঘরের এক কোনের একটা স্ট্যাম্প মেশিন দেখিয়ে বলে যে, এই মেশিনে স্ট্যাম্প তৈরি হবে। সেই স্ট্যাম্প দিয়ে এনভেলপে সিদির প্রশংসা ছড়িয়ে পরবে গ্রামের প্রতিটা প্রান্তে প্রান্তে। যদিও স্ট্যাম্প মেশিনটা নষ্ট ছিল। যাহোক, সে সিদির রূপের প্রচন্ড প্রশংসা চালিয়ে যায়। এসময় সময় দৃশ্যপট পাল্টে যায়।

দৃশ্যটা দেখা যায় গ্রামের কেন্দ্রে। এখানে লাকুনলে হতশায় মশগুল হয়ে আছে। সে আসলে সাদিকুর ট্রিকটা ভেবে পাগলের মতো হয়েছে। সেভাবে কি করে সাদিকু ট্রিক করে সিদিকে বারোকার বাড়িতে ডিনারে যোগ দিতে প্রভাবিত করেছিল। একই সাথে সে খুবই উদ্বিগ্ন এই ভেবে যে, হয়তো এতক্ষণে বারোকা তাকে বন্দি করে রাখবে অথবা তার কোন ক্ষতি করবে। আরো কয়েকজন অভিনেতার প্রবেশ করে। যদিও লাকুনলে প্রচন্ড ক্রোধে চিল্লাচ্ছে, সাদিকুকে দেখা যায় নীরব হয়ে থাকতে। তবে সে লাকুনলের পকেট থেকে কয়েন চুরি করে অন্যাদের প্রদান করে। পরিবর্তে তারা সাদিকুর প্রশংসা শুরু করে। কিন্তু সাদিকু তাদের বলে যে, এই প্রশংসা অবশ্য লাকুনলের প্রাপ্য। কারণ সেই হলো আসল দাতা। এরপর তারা বারোকার গল্প বলে নেচে নেচে। তার ক্ষমতার কথা বলে, বলে তার পতিতাবস্থার কথা। লাকুনলেকে তার প্রশংসা করে ।

এরই মাঝে সিদি প্রবেশ করে। সে খুবই উন্মাদগ্রস্ত। লাকুনলে তার উপর রেগে যায়। সে তাকে বলে যে, তার কোর্টে গিয়ে বারোকার বিরুদ্ধে কেচ করা উচিত। সিদি বলে যে, অবশেষে বারোকা বলেছে যে, এটা তার একটা ট্রিক ছিল। বারোকা বলেছে যে, সে-ই সাদিকুকে তার পুরুষত্ব হারানোর মিথ্যা গল্প বলেছিল। কারণ সে জানত যে, সাদিকু কখনোই তা গোপন রাখতে পারবে না। আর এই কথা শুনে সদি বা অন্য কোন যুবতী তাকে বিদ্রুপ করতে আসবে। আর তখন সে তাকে নিজের করে পেতে সব ব্যবস্থা করবে। এরপর সিদি সেখানে গেলে এক পর্যায়ে বারোকা তার মন জয় করতে সক্ষম হয়। সে সিদিকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যে, সিদির ইচ্ছায়ই বারোকা তার সতীত্ব হরণ করে । সিদির সামনে বিদ্রুপ করতে বলেছিল। লাকুনলে আবেগে স্টান হয়েগেলে। এক পর্যায়ে সে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব করে কিন্তু পণ ছাড়া। কারণ হিসাবে সে উল্লেখ করে যে, সিদি তো আর ভার্জিন নেই। সিদি চলে যায়। লাকুনলে সাদিকুকে বলে যে, সে যা আশা করেছিল সব শেষ হয়ে গেল। সাদিকু সিদিকে অনুসরণ করে গিয়ে সে কি করছে তা পর্যবেক্ষণ করে এগে লাকুনলেকে বলে যে, সিদি বিয়ের জন্য তৈরি জন্য হচ্ছে। লাকুনলে বলে যে, হয়তো খ্রিষ্টিয়ান রীতি অনুসারে বিয়ে করতে হলে সবকিছু প্রস্তত করতে তার এক বা দুই দিন সময় লাগবে। এত তাড়াতাড়ি সে কি করে বিয়ে করবে তা নিয়ে চিন্তা করতে করতেই মিউজিসিয়ান আর সিদি প্রবেশ করে। সে এসে লাকুনলেকে বলে যে, তার বিয়েতে লাকুনলের নিমন্ত্রন রইল। লাকুনলে মনে করে যে, বিয়েটা হয়তো তার আর সিদির সাথে হবে এবং সিদি মজা করে তাকে নিমন্ত্রন দিচ্ছে। কিন্তু সিদি তাকে বলে যে, লাকুনলেকে বিয়ে করার কোন ইচ্ছাই তার নাই। বরং সে বারোকাকে বিয়ে করবে। লাকুনলে প্রায় সঙ্গা হারবার অবস্থায় পরে যায়। সিদি তাকে বলে যে, তুলনা করতে গেলে ষাট বছর বয়সেও বারোকা প্রাণবন্ত যৌবনে ভরপুর অপরদিকে লাকুনলে প্রায় দশ বছরের মৃত যৌবনা লাস। সে আজ বারোকার মতো সিংহপুরুষের যৌনতার পরম স্বাদ আস্বাদন করেছে। এর পরে সে কি করে লাকুনলের মতো একজন দুর্বল লোককে বিয়ে করতে পারে। এরপর, সাদিকু সিদিকে আশীর্বাদ করে। বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হয়। একজন বালিকা লাকুনলেকের সামনে পাছা দুলিয়ে নাচতে শুরু করে। লাকুনলে তার পাছায় চাপ মারার জন্য তার দিকে তেড়ে যায় । কিন্তু সাদিকু তার সামনে চলে আসে এবং তাকে জোড় করে সাদিকুর সাথে নাচাতে শুরু করে। লাকুনলে কোনমতে নিজেকে মুক্ত করে এবং ভিড় থেকে বেরিয়ে চলে যায়। সাদিকু যুবতীটিকে ভিড় থেকে বের হবার জন্য স্থান করে দেয়। এভাবেই নাটকের যবনিকা টানা হয়।

চরিত্র বিশ্লেষণ

  1. বোরোকা
  2. সাদিকু
  3. আইলাতু
  4. লাকুনলে
  5. সিদি
  6. দি সারভাইবর
  7. কুস্তিগির
প্রতিটি চরিত্রের ব্যাখ্যা সহ বিস্তারিত পাবেন পিডিএফ ফাইলে। নিচে পিডিএফ ফাইল দেওয়া আছে।

PDF File Download or Online Reading











(getButton) #text=(Read Online) #icon=(link) #color=(#2339bd)



(getButton) #text=(Download The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla বাংলা অনুবাদ PDF) #icon=(download)







The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - The Lion and The Jewel by Wole Soyinka Bangla Translation or Onubad -Pdf | দ্য লায়ন এ্যান্ড দ্য জুয়েল বাংলা অনুবাদ, সামারি ও চরিত্র - 

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !