A Passage to India Bangla Summary, Themes & Explanation

Mofizur Rahman

A Passage to India Bangla Summary, Themes & Explanation

Explanation, Summary of A Passage to India by E.M. Forester

Honours 4th Year
20th Century Novel
A Passage to India by E.M. Forester
Bangla Summary, English Summary, Themes and Characters
A Passage to India Bangla Summary, Themes & Explanation pdf, a passage to india summary chapter wise a passage to india bangla summary, themes

A Passage to India

E.M. Forster published his novel A Passage to India in 1924, after he visited India beforehand in 1912 and in 1921. The novel deals in large parts with the political occupation of India by the British army and the concluding relations between the English and the native population.


The novel's setting is the fictive city of Chandrapore, a small Indian city on the Ganges and near the Marabar Caves. 

The three parts of 'A Passage to India':- “Mosque”, “Caves” and “Temple”. 


  1. The Difficulty of English-Indian Friendship.
  2. The Unity of All Living Things.
  3. Colonialism.
  4. Race and Culture.

Character Explanations (চরিত্রসমুহ)

Dr. Aziz

An intelligent, emotional Indian doctor in Chandrapore. Aziz attempts to make friends with Adela Quested, Mrs. Moore, and Cyril Fielding. Later, Adela falsely accuses Aziz of attempted rape after an expedition to the Marabar Caves, but the charges are dropped after Adela’s testimony at the trial. Aziz enjoys writing and reciting poetry. He has three children; his wife died several years before the beginning of the novel.

Ronny Heaslop

Mrs. Moore’s son, the magistrate at Chandrapore. Ronny, though well educated and open-minded at heart, has become prejudiced and intolerant of Indians ever since he moved to India; as is standard for most Englishmen serving there. Ronny is briefly engaged to Adela Quested, though he does not appear particularly passionate about her.

Miss Adela Quested

A beautiful young, intelligent, inquisitive, but somewhat repressed Englishwoman. Adela travels to India with Mrs. Moore in order to decide whether or not to marry Mrs. Moore’s son Ronny. Miss Quested begins with an openminded desire to get to know Indians and see the real India. Later, she falsely accuses Aziz of attempting to rape her in the Marabar Caves.

Cyril Fielding

The principal of the government college near Chandrapore. Fielding is an independent man who believes in educating the Indians to be individuals, a much more sympathetic attitude toward the native population than that held by most English in India.

Mrs. Moore

An elderly Englishwoman who voyages to India with Adela Quested. Mrs. Moore wishes to see the country and hopes that Adela will marry her son Ronny. Mrs. Moore befriends Dr. Aziz, as she feels some spiritual connection with him. At the time of her returning to England, she dies at sea. 

Mr. Turton

The collector, the man who governs Chandrapore. Mr. Turton is officious and stern, though more tactful than his wife. 

Mrs. Turton

Turton’s wife. In her interactions with Indians, Mrs. Turton embodies the novel’s stereotype of the snobby, rude, and prejudiced English colonial wife. 

Mr. McBryde

The superintendent of police in Chandrapore.

Major Callendar

The civil surgeon at Chandrapore, Dr. Aziz’s superior. Major Callendar is a boastful, cruel, intolerant, and ridiculous man. 

Professor Godbole

A Brahman Hindu who teaches at Fielding’s college. Godbole is very spiritual and reluctant to become involved in human affairs.


Dr. Aziz’s uncle and friend. Hamidullah, who was educated at Cambridge, believes that friendship between the English and Indians is more likely possible in England than in India. Hamidullah was a close friend of Fielding before Fielding and Aziz met.

Mahmoud Ali

A lawyer friend of Dr. Aziz who is deeply pessimistic about the English.

The Nawab Bahadur

The leading loyalist in Chandrapore. The Nawab Bahadur is wealthy, generous, and faithful to the English. After Aziz’s trial, however, he gives up his title in protest.

Dr. Panna Lal

A low‑born Hindu doctor and Aziz’s rival. Dr. Panna Lal intends to testify against Aziz at the trial, but he begs forgiveness after Aziz is set free.

Stella Moore

Mrs. Moore’s daughter from her second marriage. Stella marries Fielding toward the end of the novel.

Ralph Moore

Mrs. Moore’s son from her second marriage, a sensitive young man. 

Miss Derek

A young Englishwoman who works for a wealthy Indian family and often steals their car.


The lawyer who defends Aziz at his trial. Amritrao is a highly anti‑British man. 

বাংলা সামারী (Bangla Summary)

"A Passage to India" ইংরেজ লেখক E. M. Forster কর্তৃক লিখিত একটি উপন্যাস যেটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন এবং ১৯২০ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। উপন্যাসটি Forster এর  ইন্ডিয়ার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রচিত। উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে। Forster তার এই উপন্যাসের শিরোনাম নিয়েছেন ওয়াল্ট হুইটম্যানের 'Leaves of Grass' কাব্যগ্রন্থের Passage to India নামের একটি কবিতা থেকে। "A Passage to India" হল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ এবং ইংরেজদের সাথে ভারতীয়দের বিদ্যমান সম্পর্ক বিষয়ক একটি ক্লাসিক উপন্যাস।

উপন্যাসটিতে উপনিবেশবাদের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। এখানে উপনিবেশবাদীদের ধ্বংসাত্মক শাসন ও শোষিতদের করুন চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। তাছাড়া এখানে দেখানো হয়েছে, শাসক এবং শাসিতের মধ্যে কখনোই বন্ধুত্ব হয় না,  যেটি হয় সেটি হল শাসন ও শোষনের সম্পর্ক। বন্ধুত্ব হয় সমানে সমানে। পুরো উপন্যাস জুড়ে বন্ধুত্বের সংকট ধ্বনিত হয়েছে।

এই উপন্যাসটি তিনটি অংশে বিভক্ত:-
  1. Mosque (মসজিদ)
  2. Caves(গুহা) এবং
  3. Temple(মন্দির)
প্রথম ২ অংশের  place setting হলো চন্দ্রপুর (Chandrapore) নামের একটা কাল্পনিক ছোট শহর। ৩য় অংশের place setting হল মাউ (Mau) নামের একটা শহর।

উপন্যাসের শুরু হয় গঙ্গা নদীর তীরের একটি অঞ্চল চন্দ্রপুরের বর্ণনার মাধ্যমে যেটি কিনা মারাবার গুহার জন্য সুপরিচিত। চন্দ্রপুরের হাসপাতালের ডাঃ আজিজ, একজন  ইন্ডিয়ান মুসলিম চিকিৎসক তার দুইজন ইন্ডিয়ান বন্ধুর সাথে বসে খাবার খাচ্ছে এবং আলাপ করছে যে ইংরেজদের সাথে তাদের বন্ধুত্ব সম্ভব কিনা এই বিষয়ে।

এই সময় মেজর ক্যালেন্ডারের নিকট থেকে আজিজকে তলব করা হয়। মেজর ক্যালেন্ডার হলেন হাসপাতালে আজিজের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা যাকে আজিজ তেমন পছন্দ করে না। আজিজ নির্দেশ অনুযায়ী খুব দ্রুত ক্যালেন্ডারের বাংলোর দিকে যায় কিন্তু টঙ্গা (এক ধরনের বাহন) পেতে দেরী করায় এবং টায়ারের ত্রুটির কারণে আজিজ পৌছতে বিলম্ব করে, ফলে মেজর ক্ষোভে আগেই চলে যান।

আজিজ আশাহত হয়ে রেল স্টেশনের দিকে হাঁটতে থাকে। যখন সে তার প্রিয় মসজিদ টি দেখে সেখানে সে প্রবেশ করে, মসজিদ টি যদিও জীর্ণ তবুও গঠনশৈলী সুন্দর। সে একজন ইংরেজ মহিলাকে দেখে এবং চিৎকার দিয়ে তাকে বলে জুতা নিয়ে না উঠতে। নাহলে এই শুভ স্থানকে অপবিত্র হয়ে যাবে। ঐ মহিলাটি, যার নাম মিসেস মুর, ইন্ডিয়ানদের রীতিকে শ্রদ্ধা করে মসজিদে প্রবেশের পূর্বে জুতা খুলে প্রবেশ করে কিন্তু আজিজ সেটা বুঝতে পারেনি। আজিজ তার ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে গল্প করে এবং দুইজনের মধ্যে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়।

মিসেস মুর সেখান থেকে ফিরে ব্রিটিশ ক্লাবে আসে এবং তার ছেলে রনি হিসলপের কাছে মসজিদে তার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলে। রনি হিসলপ প্রথমে মনে করেন যে তার মা একজন ইংরেজ সম্পর্কে কথা বলছে, পরে যখন সে প্রকৃত ঘটনা জানতে পারে তখন সে রুষ্ট হয়। রনি মনে করে যে তার মায়ের উচিত ছিলো যে, সে যে একজন মুসলমান সম্পর্কে কথা বলছেন তা আগেই তাকে অবহিত করা। এই ঘটানাটা মিসেস অ্যাডেলা কোয়েস্টেডও শুনেছিলেন এবং তার কাছে ঘটনাটা বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হয়। অ্যাডেলা ইন্ডিয়ানদের প্রতি উৎসুক হয় জানার জন্য।

যেহেতু অ্যাডেলা ইন্ডিয়ানদের দেখার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে৷ তাই  ট্যাক্স কালেক্টর মিঃ টারটন অসংখ্য ইন্ডিয়ান ভদ্রলোককে তার বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে একটি ব্রিজ পার্টির (Bridge Party) আয়োজন করে। [পার্টিটাকে ব্রিজ বলার কারণ হলো এটা ইংরেজ ও ভারতীয়দের মধ্যে ব্রিজ (সেতুবন্ধন) হিসেবে কাজ করবে বলে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু পার্টিটি একটি বেখাপ্পা কার্যে পরিণত হয় এবং আয়োজনের উদ্দেশ্য বিফল হয়। পার্টিতে ভারতীয়রা ইংরেজদের সাথে কথা বলার সাহস পায় না, আর ইংরেজরা ভাব দেখিয়ে ভারতীয়দের সাথে কথা বলে না।

এই পার্টিতে অ্যাডেলার সাথে সাক্ষাৎ হয় সিরিল ফিল্ডিং এর , যিনি চন্দ্রপুরে ইন্ডিয়ানদের জন্য সরকার পরিচালিত কলেজের প্রধান শিক্ষক। সিরিল ফিল্ডিং অ্যাডেলা কোয়েস্টেড এবং মিসেস মুরকে চা পার্টির দাওয়াত দেন যাদের সাথে হিন্দু-ব্রাহ্মণ নারায়ণ গডবোলও থাকবে, যিনি কলেজের অধ্যাপক। অ্যাডেলার অণুরোধে ফিল্ডিং আজিজকেও ঐ চা পার্টিতে দাওয়াত করেন। সিরিল ফিল্ডিংয়ের চা পার্টিতে সবাই একটা ভালো সময় কাটাচ্ছিলেন। পার্টিতে সবাই ইন্ডিয়া সম্পর্কে কথা বলে এবং আজিজ এবং ফিল্ডিংয়ের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আজিজ ঐ পার্টিতে অ্যাডেলা কোয়েস্টেড এবং মিসেস মুরকে প্রফুল্লতার সাথে মারাবার গুহা দেখানোর প্রতিজ্ঞা করে, যেটি হচ্ছে চমৎকার একটি গুহা, যা সম্পর্কে লোকে অনেক কথা বলে কিন্তু মনে হয় প্রকৃতপক্ষে কেউই গুহাটি ভ্রমণ করে নি। রনি হিসলপ তাদের মাঝে এসে রুক্ষভাবে তাদের পার্টি ভেঙ্গে দেন।

আজিজ নিজের কথা রাখতে চা পার্টিতে অংশগ্রহণ করা সকলের জন্য একাই নিজের খরচে মারাবার গুহা (Marabar Caves) বেড়াতে যাওয়ার সমস্ত আয়োজন করেন। মারাবার গুহাতে যাওয়ার সময় সিরিল ফিল্ডিং এবং গডবোল ট্রেন মিস করলে  আজিজ, অ্যাডেলা এবং মিসেস মুরের সাথে আগেই গন্তব্যে পৌঁছে যান। স্পটে গিয়ে আজিজ এবং ইংরেজ দুই মহিলা গুহার ভেতরে প্রবেশ করে।

প্রথম গুহায় ঢোকার পর মিসেস মুর  ক্ল্যাস্ট্রফোবিয়া (claustrophobia- আবদ্ধ স্থান সম্পর্কে অস্বাভাবিক ভীতি) বোধ করে কারণ গুহাটি ছিলো অন্ধকার এবং কিন্তু ক্ল্যাস্ট্রফোবিয়ার চেয়ে প্রতিধ্বনি ছিলো বেশি মারাত্মক। প্রতিধ্বনিটি সবসময় “ব্যুম” শব্দের মত শোনাচ্ছিল। মিসেস মুর প্রতিধ্বনি দ্বারা বিরক্ত হয়ে গুহার আরও সামনে আগাতে অস্বীকৃতি জানায়।

সুতরাং আজিজ এবং অ্যাডেলা তাদের সাথে একজন স্থানীয় গাইডকে নিয়ে গুহার পরবর্তী ধাপগুলোতে যেতে থাকে। যেহেতু আজিজ অ্যাডেলাকে পাহাড়ের সামনের দিকে যেতে সাহায্য করছিলো, অ্যাডেলা সরলভাবে আজিজকে জিজ্ঞেস করে যে তার একের অধিক স্ত্রী আছে কি না। অ্যাডেলার অপ্রত্যাশিত মন্তব্যে বিভ্রান্ত হয়ে আজিজ অন্য একটা গুহায় সরে আসে নিজেকে শান্ত করার জন্য।

যখন সে বের হয়ে এসে সে গাইডকে একাকী গুহার বাইরে বসে থাকতে দেখে। গাইড আজিজকে বলে যে অ্যাডেলা নিজেই একটা গুহার মধ্যে একা ঢুকেছে। আজিজ তাকে খুজে কিন্তু ব্যর্থ হয়। অ্যাডেলা হারিয়ে গিয়েছে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সে গাইডকে প্রহার করে ফলে গাইড পালিয়ে যায়। আজিজ আবারো অ্যাডেলাকে খুজে এবং দেখে যে অ্যাডেলার দূরবীক্ষণ যন্ত্রটি ভেঙ্গে পড়ে আছে। সে সেগুলিকে তার পকেটে তুলে নেয়।

তারপর আজিজ পাহাড়ের নিচের দিকে তাকায় এবং দেখে যে অ্যাডেলা মিসেস ডেরেকের সাথে কথা বলছে। মিসেস ডেরেক একজন ইংরেজ মহিলা যিনি ফিল্ডিং এর সাথে গাড়িতে এসেছেন। আজিজ পাহাড় থেকে দৌড়ে নামে এবং ফিল্ডিংকে আকস্মিকভাবে অভিবাদন জানায়, কিন্তু মিস ডেরেক এবং অ্যাডেলা কোন ব্যাখ্যা না দিয়েই   গাড়িতে করে চলে যান চন্দ্রপুরে। 

ফিল্ডিং, মিসেস মুর এবং আজিজ ট্রেনে চন্দ্রপুর আসেন। তারপরই দুর্দশা শুরু হয়। চন্দ্রপুরে আসার পর স্টেশনেই  ডাঃ আজিজকে গ্রেফতার করা হয় এবং অভিযোগ করা হয় যে গুহার মধ্যে সে অ্যাডেলাকে অশালীনভাবে আক্রমণ (sexual harassment) করেছে। অ্যাডেলা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছে ঐ ঘটনা সম্পর্কে অভিযোগ করে।

এরপর আজিজের বিচারকার্য শুরু হয়। আজিজের বিচারাধীন সময়কালে ব্রিটিশ এবং ইন্ডিয়ানদের মধ্যে জাতিগত উত্তেজনা বাড়তে থাকে। অ্যাডেলা আজিজকে শুধুমাত্র এই বলে অভিযোগ করে যে "আজিজ তাকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেছিলো"। অ্যাডেলা বলে যে আজিজ তাকে অণুসরণ করেছিলো এবং তাকে আঁকড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেছিলো। ফলে সে তার দূরবীক্ষণ যন্ত্র আজিজের দিকে ছুড়ে মেরে তাকে প্রতিহত করে। অ্যাডেলা স্মরণ করে যে আজিজ ভাঙ্গা ফালি কাচ তুলে নেয় এবং এই সময় অ্যাডেলা বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়।

আজিজের কাছে ঐ দূরবীক্ষণ যন্ত্রের ভাঙ্গা কাঁচগুলোই এখন ব্রিটিশদের একমাত্র প্রমাণ। এছাড়াও ব্রিটিশরা বিশ্বাস করে যে আজিজ প্রকৃতই অপরাধী। সব ব্রিটিশরা মনে করে যে কালো বর্ণের সকল লোকেরই শ্বেত বর্ণের নারীদের প্রতি যৌন লালসা থাকে। তারা স্তব্ধ হয়ে যায় যখন ফিল্ডিং দাবি করে যে আজিজ নির্দোষ। ফিল্ডিংকে নিন্দা করা হয় বিশ্বাসঘাতক হিসেবে। কিন্তু ইন্ডিয়ানরা ফিল্ডিংকে স্বাগত জানায় কারণ তারা মনে করে যে আজিজের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া এবং এটি করা হয়েছে তাদের সম্প্রদায়ের সুনামকে ধ্বংস করতে।

বিচার চলাকালীন সপ্তাহে মিসেস মুর অপ্রত্যাশিতভাবে উদাসীন এবং খিটখিটে হয়ে যায়। তার কাছে এমন মনে হয় যেন, গুহার ভেতরে তার অভিজ্ঞতা মনুষ্যত্বের উপর তার যে বিশ্বাস ছিলো তা ধ্বংস করে দিয়েছে। যদিও ফিল্ডিয়ের মত সেও বিশ্বাস করে যে আজিজ নির্দোষ কিন্তু তার জন্য কিছুই করতে পারে না।

রনি যখন বুঝতে পারে যে তার মা আজিজ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করে তখন সে নৌ জাহাজে করে তার মায়ের ইংল্যান্ডে যাবার ব্যবস্থা করেন যাতে সে আজিজের পক্ষে সাক্ষী দিতে না পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মিসেস মুর যাত্রা পথেই মারা যান। মিসেস মুরের অণুপস্থিতি আজিজের বিচারে বড় প্রভাব ফেলে । আজিজের পক্ষের উকিল বলেন যে যদি মিসেস মুর উপস্থিত থাকতেন তবে শুধুমাত্র তার সাক্ষীই আজিজকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারত।

বিচার চলাকালীন সময়ে অ্যাডেলা কোয়েস্টেড আজিজের অপরাধ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব্বে পড়ে যান। বিচারের সময় চূড়ান্তভাবে অ্যাডেলাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে আজিজ তাকে যৌন আক্রমণ (sexual harassment) করেছিলো কিনা। সে প্রতিউত্তর দেবার পূর্বে চিন্তা করার জন্য কিছু সময় চেয়ে নেয়। ঐ সময় অ্যাডেলা গুহার একটি দৃশ্য দেখে এবং বুঝতে পারে যে মিসেস মুরের মত সেও ঐ একই ধরনের মানসিক আঘাত পেয়েছিলো।

গুহার ঐ প্রতিধ্বনি তাকে এতই বিভ্রান্ত করেছিলো যে সে সাময়িক সময়ের জন্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিলো। সে তখন গুহা থেকে বের হয়ে পাহাড় দিয়ে নিচে নেমে আসে এবং অবশেষে মিস ডেরেকের সাথে গাড়িতে ফিরে আসেন। ঐ সময় অ্যাডেলা ভুলকরে তার মানসিক আঘাতকে আজিজ দ্বারা আক্রমণ হয়েছে বলে ব্যাখ্যা করে। সে স্বীকার করে যে সে ভুল করেছে। এই কথার পরে মামলা খারিজ করে দেয়া হয় এবং আজিজ নির্দোষ প্রমাণিত হয়।

বিচারে হেরে রনি হিসলপ অ্যাডেলার সাথে তার বিয়ের বাগদান (Engagement)  বিচ্ছিন্ন করে দেন। অ্যাডেলা ততদিন ফিল্ডিংয়ের বাসায় অবস্থান করে যতক্ষণ না পর্যন্ত নৌ-পথে তার ইংল্যান্ডে ফিরে যাবার ব্যবস্থা না হয়। গুহার ঐ প্রতিধ্বনিই যে এই ঘটনার মূল কারণ এটি ফিল্ডিংয়ের কাছে ব্যাখ্যা করে অ্যাডেলা ইন্ডিয়া ত্যাগ করে এবং পরবর্তীতে তিনি আর কখনোই ইন্ডিয়া ফিরে আসেন নি।

যদিও আজিজ এখন দোষ মুক্ত তবুও সে তার বন্ধু ফিল্ডিংয়ের প্রতি এখনও ক্ষুব্ধ কারণ এতো কিছুর পরেও ফিল্ডিং অ্যাডেলার সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখেন। ফিল্ডিং আজিজকে বোঝায় যে অ্যাডেলার কাছ থেকে অর্থ জরিমানা নেয়া ভদ্রোচিত কাজ হবে না। এসব কারনে ফিল্ডিং ও আজিজের মধ্যকার বন্ধুত্বের সম্পর্কের অবনতি হয়। তারপর ফিল্ডিং ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ইন্ডিয়া ত্যাগ করে।

আজিজ মনে করে যে সে ইন্ডিয়া ত্যাগ করেছে অ্যাডেলাকে বিয়ে করার জন্য। আজিজ তার বন্ধুর প্রতি ধারণাকৃত বিশ্বাসঘাতকতার জন্য প্রতিজ্ঞা করে যে সে কখনো শ্বেতবর্ণের মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করবে না। আজিজ হিন্দু শাসিত শহর মাউ'য়ে চলে যান এবং নতুন করে জীবন শুরু করেন।

মাউ (Mau)  চন্দ্রপুর থেকে কয়েকশ মাইল পশ্চিমে অবস্থিত একটি শহর। ডাঃ আজিজ এখন মাউয়ের রাজার প্রধান চিকিৎসক হিসেবে আছেন। দুই বছর পরে ফিল্ডিং ইন্ডিয়া ফিরে আসেন এবং আজিজের সাথে দেখা করেন। ফিল্ডিং বিয়ে করেছেন মিসেস মুরের মেয়ে স্টেলাকে। ফিল্ডিং অ্যাডেলাকে বিয়ে করেননি দেখে ফিল্ডিংয়ের উপর আজিজের সন্মান ফিরে আসে।

কিন্তু আগের মতো বন্ধু হতে পারেন না। আজিজ একটি স্বাধীন এবং ঐক্যবদ্ধ ইন্ডিয়ার স্বপ্ন দেখতে থাকেন। উপন্যাসের শেষ বাক্যগুলোতে আজিজ বলে যে, সে এবং ফিল্ডিং বন্ধু হতে পারে না যতক্ষণ না পর্যন্ত ইন্ডিয়া ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়। এমনকি মনে হয় যেন মাটি এবং আকাশও বলছে “এখনও না”।

English Summary (ইংরেজি সারমর্ম বা সামারি)

In the Indian city of Chandrapore, Dr. Aziz answers a summons by the English surgeon Major Callendar. On his way home, Dr. Aziz stops in a mosque where he meets an English woman. Dr. Aziz and Mrs. Moore establish a deep connection in just a few exchanges before each return to their respective parts of the city. Mrs. Moore returns to a club and rejoins her son, Ronny, the City Magistrate, and his prospective fiancée Adela, whom Mrs. Moore is chaperoning.

Mrs. Moore and Adela seek an authentic experience in India, not the reconstructed English society of the club and Anglo-Indian neighborhood. Mr. Turton, a prominent Englishman stationed in Chandrapore, throws a party to introduce Mrs. Moore and Adela to some of the upper-class Indians the English associate with. At the party, the English and Indians keep a strict, racially driven distance.

Still, Adela is determined to experience the new culture around her. Mr. Fielding, the Principle at the Government College, arranges for herself, Mrs. Moore, Aziz, and the musician and Hindu mystic Godbole to attend tea at his house. At tea, Aziz and Fielding form a friendship. Aziz is motivated to show his hospitality and invites them all on an expedition to the nearby legendary Marabar Caves.

Adela becomes disappointed with Ronny as she sees him interacting with the citizens of Marabar; she cannot envision herself a wife to a man as racially insensitive and cold as him. She decides to break off their engagement, but after the two are in a car accident, Adela changes her mind.

Aziz arranges for the trip to the Marabar Caves. The ladies meet him at the train station in the morning but Fielding and Goldbole run late and miss the train. Aziz shows Mrs. Moore and Adela the caves with the help of guides and local villagers. Both women are disenchanted with India at this point. Mrs. Moore desires to return to England as soon as possible now that Ronny and Adela are engaged.

Mrs. Moore stays behind at their camp as Aziz and Adela continue exploring the caves. After Adela makes an ignorant remark about Aziz’s marriage, Aziz leaves her to explore a cave on his own. When he emerges, Miss Derek’s car is seen nearby, dropping Fielding off. Aziz notes that Adela is down by the car and meets Fielding at camp. The entire party leaves and returns to Chandrapore, where Aziz is immediately arrested.

While alone in the caves, Adela was assaulted, and she names Aziz as her attacker. Without evidence, Aziz is imprisoned, and a trial date is set. The English are determined to protect their image and pride by condemning Aziz, but Fielding joins Aziz’s cause. Adela’s time before the trial is marked by wavering mental health and uncertainty; seeing Mrs. Moore again and hearing her speak to Aziz’s innocence further destabilizes her. Ronny sends his mother back to England. A riot breaks out in Chandrapore and tensions between the English and Indian populations rise.

At the trial, Adela is put under pressure by the rest of the English to condemn Aziz outright. However, though she clearly envisions the events leading up to her attack in the cave, she does not see Aziz there. She truthfully confesses and exonerates Aziz, to the horror of the rest of the English. She is ostracized and lives at Fielding’s house for a few weeks while Fielding celebrates with Aziz and their friends. Mrs. Moore dies while traveling. Ronny breaks off his engagement with Adela and sends her back to England.

Fielding’s and Aziz’s friendship falters after the trial, strained by the cultural differences between them. Fielding convinces Aziz not to sue Adela and returns to England while Aziz plans to look for work in a remoter part of India away from the influence of the English. He hears from Hamidullah that Fielding has married Adela and believes that Fielding betrayed him.

Two years pass until the two meet again, this time in Mau, where Aziz works alongside Godbole as part of the Rajah’s medical staff. Fielding visits Mau on his tour and runs into Aziz. Aziz learns that Fielding married Mrs. Moore’s daughter Stella, not Adela, which allows them to speak as friends again for the duration of Fielding’s stay.

নিচের সামারিতে কিছু কিছু কথা বাদ পড়েছে তাই উপরের টা পড়লে বেশি লাভবান হবেন।

E. M. Forster's novel 'A Passage to India' is divided into three parts: "Mosque", " Caves", and "Temple". The first part, "Mosque," begins with what is essentially a description of the city of Chandrapore (চন্দ্রপুর). The physical separation of the city into sections, plus the separation of earth and sky, are indicative of a separation of deeper significance that exists between the Indian and English sectors.

This novel deals with human relationships; their conflict with one another in the variation of their caste, creed, color, religious, status etc. The following line suggests the bitter relationship between the natuve Indian and the Englishmen. "Is it possible for the Indian and the Englishman to be friends?" To show both sides of this question, the reader is first introduced to Dr. Aziz and his friends.

Aziz is a Moslem doctor who practices at the government hospital in Chandrapore under the supervision of Major Callendar. Among Aziz's friends are Hamidullah, an Indian barrister who has lived in England; Nawab Bahadur, an influential landowner; and Mahmoud Ali. In the opening chapters these men are shown discussing the English officials who govern under the British Raj in India.

Among the English faction, who also discuss the Anglo-Indian relationship, are Mr. Turton, the Collector; Major Callendar, the English doctor; Mr. McBryde, the police magistrate; and Ronny Heaslop, the city magistrate and the latest official to assume duties in Chandrapore. Between these groups, or outside them, are Cyril Fielding, the English principal of the government school, whose allegiance belongs to neither group; Mrs. Moore, mother of Ronny Heaslop, who has come to India as chaperone to Miss Adela Quested, Ronny's intended fiancee;

Professor Godbole, a Hindu who is separated from the Moslems by his religion and* from the English by his religion and nationality; and the English missionaries, Mr. Graysford and Mr. Sorley, who share none of the arrogance of English officialdom as they attempt to convert the Indians to Christianity.

The story opens with Aziz's arrival at Hamidullah's house, where he is to spend a social evening with his friends. Their conversation centers upon the indignities that the Indian must suffer at the hands of the English officials and their wives. Especially, Young Ronny Heaslop, about whom they are discussing and describes him as the "red-nosed boy".

Short a while, Aziz is summoned to the house of his superior, Major Callendar. He is late in arriving and when he arrives, he finds the major gone. Two English women preempt his tonga and on the walk back to his house he encounters Mrs. Moore at the mosque. The old lady endears herself to Aziz by her innate understanding of him and of Moslem custom.

Two english women, the young Miss Adela Quested and the elderly Mrs. Moore, travel to India. Adela expects to become engaged to Mrs. Moore’s son, Ronny, a British magistrate in the Indian city of Chandrapore. Adela and Mrs. Moore each hope to see the real India during their visit, rather than cultural institutions imported by the British.

To humor her Mr. Turton offers to give a "Bridge Party," a garden party ostensibly designed to bridge the distance between the English and the Indian, and to give Adela and Mrs. Moore the opportunity to meet socially some of the upper-class Indians. At Mrs. Moore's cottage that night Ronny and his mother discuss her encounter with Aziz at the mosque. Ronny shows his unmistakable prejudice and Mrs. Moore is appalled at his inhumane attitude. On her way to bed, she exhibits a sympathetic response to a wasp, one of the least of India's creatures.

At the event, which proves to be rather awkward, Adela meets Cyril Fielding, the principal of the government college in Chandrapore. Fielding, impressed with Adela’s open friendliness to the Indians, invites her and Mrs. Moore to tea with him and the Hindu professor Godbole. They are also invited for a Thursday morning visit  which never materializes to the home of the Bhattacharya's, a Hindu couple. At Adela’s request, Fielding invites Aziz to tea as well.

At tea at Fielding's house, Mrs. Moore and Adela visit pleasantly with Aziz and Professor Godbole, enigmatic Hindu associate of Mr. Fielding. The kindness of Mrs. Moore and Adela Quested prompts Aziz to invite them on an outing to the Marabar Caves, which they accept. Ronny Heaslop arrives at Fielding's cottage to take his mother and Adela to a game of polo; his discourtesy to Aziz and his arrogant behaviour toward all Indians causes Adela and Ronny to quarrel, and Adela tells Ronny she cannot marry him.

Later the young people go for a ride with Nawab Bahadur, and when the automobile is involved in an accident with an unidentified animal on a back road, they are drawn together once more and announce their engagement. Mrs. Moore, mother of Ronny, accepts the news calmly.

The next section, "Caves," begins with a detailed description of the Marabar Caves, the peculiar hollow caverns within the equally curious Marabar Hills that rise from an otherwise flat area outside the city of Chandrapore. It is to these caves that Aziz has planned an elaborate trip for Mrs. Moore and Adela Quested.

passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla, passage to india bangla

Post a Comment


Post a Comment (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Ok, Go it!